ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা কিভাবে তুলতে হয়,  ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে,  ফ্রি লেন্সের কাজ করার জন্য প্রয়োজন,  ফ্রিল্যান্সিং কি মোবাইলে করা যায়,
ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে


ফ্রিল্যান্সিং কাকে বলে সেই বিষয়ে আপনি অনলাইন এবং ইউটিউব থেকে জানতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং বলতে সাধারণত বুঝানো হয় যে সমস্ত কাজ আপনি অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করে ঘরে বসে টাকা উপার্জন করতে পারবেন সেটা। বর্তমান সময়কে কাজে লাগিয়ে অনেক মানুষ স্বাবলম্বী ভাবে জীবন-যাপন করছে এই কাজ করে। কেউ কেউ তৈরি করছে ঘরবাড়ি আবার কেউ কেউ কিনেছে নিজের পছন্দের গাড়ি। আপনি যদি এই কাজে সফল ভাবে জায়গা করে নিতে পারেন তাহলে আপনি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সকলের মাঝে অবস্থান করতে পারবেন। 


ফ্রিল্যান্সিং শব্দটির সাধারণ ভাবে বর্তমান সময়ে সকলের কাছে পরিচিত এবং সবাই এই কাজ করতে অনেক পছন্দ করে থাকে। কারণ এই সেক্টর থেকে পরিশ্রমের তুলনায় অধিক পরিমাণে টাকা ইনকাম করা যায়। সাধারণত আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন ওয়েব ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে, ছবি এডিটিং, ভিডিও এডিটিং, ফেসবুক বুস্টিং  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি সেক্টরে করতে পারবেন। আপনার যে বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে সেই বিষয়টি কাজে লাগিয়ে আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন বিপুল পরিমানের। আপনার কাছে যদি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট সংযোগ থেকে থাকে তাহলে তা কাজে লাগিয়ে আপনি এই কাজে নামতে পারবেন।



ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা কিভাবে তুলতে হয়



ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা কিভাবে তুলতে হয় সেই বিষয়ে অনেকে জানে না। সাধারণত সবাই অনলাইনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং  কাজ করে থাকে তবে কিভাবে টাকা নিতে হয় সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা অনেক জনের নেই। আপনি ফিলান্সিং করে আয় করে টাকা সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টে নিতে পারবেন। তাছাড়া নিতে পারবেন আপনার পেপাল, পেওনিয়ার ইত্যাদি সাহায্য নিয়ে। বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক ব্যাংক হয়েছে তার মধ্যে জনপ্রিয় ব্যাংক হলো ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, আরাফা ইসলামী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড ইত্যাদি অসংখ্য রকমের ব্যাংক রয়েছে এবং রয়েছে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।



এই সমস্ত ব্যাংক আপনার একাউন্টে সংযুক্ত করে প্রতিমাসে আপনি ব্যাংক দ্বারা আপনার উপার্জনকৃত টাকা নিজের হাতে নিতে পারবেন। বর্তমান সময়ে ছাত্রছাত্রীরা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে অনেক মনোযোগ দিয়েছে। তারা বাংলাদেশে এক প্রকার রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে কাজ করছে। বলতে গেলে তাদের প্রতি মাসে আয় ৩০০ থেকে ৫০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এই পরিমানের একজন প্রবাসী ইনকাম করতে পারে না। তাছাড়া যারা বর্তমানে আমাদের দেশে বিসনেসমেন রয়েছেন তারা এই পরিমাণ টাকা ইনকাম করে কিনা সন্দেহ রয়েছে। মানুষের জীবনের পাশাপাশি আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অনেক দূরে তারাই। তাই আমাদের সকলের উচিত ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে ছোট করে না দেখে বড় করে দেখা।



মানুষের জীবনে কোন কর্ম ছোট নয় আগেকার যুগে ফ্রিল্যান্সিং কাজকে মানুষ ছোট করে দেখত। কিন্তু বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে সবার মনের ধারণা ও আগ্রহ থাকায় এই মায়াজাল থেকে সবাই বেরিয়ে আসতে পারছে। ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই আপনি শুধুমাত্র নিজের সময় এবং মেধা ব্যয় করে এই সেক্টর থেকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী ইনকাম করতে পারবেন। বাংলাদেশে বর্তমানে অসংখ্য মানুষ রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে কাজে লাগিয়ে তাদের পরিবারকে ভরণপোষণ দিচ্ছে। আপনি নিজেও চাইলে এই কাজ করে আপনার পরিবারের হাল ধরতে পারবেন। এই কাজ করার জন্য রয়েছে ফাইবার, আপওয়ার্ক মত বড় বড় ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর। এই সমস্ত ওয়েবসাইটে আপনি একাউন্ট করে আপনিও শুরু করতে পারবেন আপনার ফ্রিল্যান্সিং জীবন।



ফ্রি লেন্সের কাজ করার জন্য প্রয়োজন কি প্রয়োজন হতে পারে?



ফ্রি লেন্সের কাজ করার জন্য প্রয়োজন হল আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট সংযোগ। তবে তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করার জন্য আপনার মন-মানসিকতা। কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের থাকলেই আপনি একটা কাজ করতে পারবে, তবে সঠিক মন মানসিকতা  যদি আপনার না থাকে এই সেক্টরে কাজ করতে আসেন তাহলে কয়েকদিনের মধ্যে হতাশ হয়ে ফিরে যাবেন। এই সেক্টরে কাজ করতে হলে আপনাকে অধিক পরিমাণে ধৈর্য এবং পরিশ্রম করতে হবে। তাহলে আপনি একজন সফল মানুষ হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর গঠন করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং ডাল হিসেবে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে মানুষ নিজে স্বাবলম্বী হচ্ছে এবং অন্যকেও স্বাবলম্বী করার উৎসাহ প্রদান করছেন। 


ফ্রিল্যান্সিং কি মোবাইলে করা যায়


 ফ্রিল্যান্সিং কি মোবাইলে করা যায় সেই বিষয়ে অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন। আজ তাদের জন্য আমি এই বিষয়টি পরিষ্কার করে দিলাম। সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে কম্পিউটার অবশ্যই লাগব।  কম্পিউটার ছাড়া কোন ভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব নয়। তবে আপনি মোবাইল ব্যবহার করে অনলাইন সেক্টরে ছোটখাটো কাজ করতে পারবেন যেমন ধরেন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে একাউন্ট করে বিভিন্ন ধরনের টাক্স পূরণ করে সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাছাড়া মোবাইলে কাজ করার মত রয়েছে সার্ভ মত ওয়েবসাইট। এর মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট একটি নেটওয়ার্কই আইডি কিনে নিয়ে ওখানে কাজ করতে পারবেন। তাছাড়া আপনি শুরু করতে পারবেন একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট। এখন জেনে নেয়া যাক কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন।


সাধারণত ব্লগিং করার জন্য কোন কম্পিউটার প্রয়োজন হয় না। আপনি আপনার ছোট মোবাইল দিয়েই এই কাজ শুরু করতে পারবেন। ব্লগার ওয়েবসাইটে আপনার কোন টাকা ইনভেস্ট ছাড়াই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে রীতিমতো আপনার মনের ভাব প্রকাশ করে আর্টিকেল লিখে সেখানে গুগল এডসেন্সের এড নেটওয়ার্ক বসিয়ে একটা ভালো পরিমাণে ইনকাম করা সম্ভব। যাদের কম্পিউটার নেই তারা তারা এই সেক্টরকে কাজে লাগিয়ে টাকা ইনকাম করে যাচ্ছেন। এই ব্লগ সাইটে আপনার যদি টাকা থাকে তাহলে একটি কাস্টম ডোমেইন অ্যাড করে নিতে পারবেন। আর যদি তাও না করতে পারেন তাহলে সম্পূর্ণ ফ্রীতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে পরিশ্রম দিয়ে আপনি এই সেক্টরে প্রতি মাসে ইনকাম করতে পারবেন

Post a Comment

Previous Post Next Post