ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো
ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো 


ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো সেই বিষয়ে যদি আপনার জানা থাকে তাহলে আপনি এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানতে পারবেন। আগেকার যুগের ফ্রিল্যান্সিং শব্দটি শুধু মাত্র কয়েকজন মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে এটা গোটা বিশ্বের কাছে পরিচিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সময়ে মানুষ এই ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য অধিক নতুন নতুন পদক্ষেপ এবং কলা কৌশল অবলম্বন করতে চায়। তবে মানুষের ভুল কৌশলের কারণে এটা কোন ভাবে শিখা হয়ে ওঠে না। 


বর্তমান সময়ে মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে অন্যান্য চাকরিজীবী তুলনায় অধিক ইনকাম করতেছে। এমনকি যারা ছোট ব্যবসা-বাণিজ্য করে তারাও এই সমপরিমাণ টাকা ইনকাম করতে পারে না। প্রতি মাসে দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা যায় এই ফ্রিল্যান্সিং করে। কোন রকম ইনভেস্ট ছাড়াই সামান্য পরিশ্রম দিয়ে নিজের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করে এখান থেকে টাকা ইনকাম করা যায়। যদি নিজের মূল্যবান সময় এবং সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায় তাহলে মানুষ স্বাবলম্বী হওয়া খুব সহজ এই ফ্রিল্যান্সিং করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং সহজেই আপনি শিখতে পারবেন। 



ফ্রিল্যান্সিং শিখতে হলে আপনাকে কোন টাকা পয়সা খরচ করতে হবে না। আপনি সহজেই বিনামূল্যে এই পেশা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন এবং ইউটিউব থেকে আপনার যদি একটি কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ থেকে থাকে তাহলে। আপনি গুগল থেকে সার্চ করে দেখুন বিভিন্ন ধরনের তথ্য এবং ইউটিউব এর সাহায্য নিয়ে নানা সিরিয়াল দেখে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে শিখতে পারবেন জানতে পারবেন। বর্তমান সময়ে প্রয়োজন হয় না টাকা দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করা। তাছাড়া আপনি যদি সঠিক মেধা এবং পরিশ্রম করে এগিয়ে যান তাহলে আপনার এই কোর্সের প্রয়োজন হবে না। নির্দিষ্ট পরিমাণের ভিডিও টিউট্রিয়াল দেখে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারবেন।


ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন 


ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন তা যদি আপনি জানেন না থাকেন তাহলে এই আর্টিকেল আপনার জন্য। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সাধারণত প্রয়োজন পড়ে একটি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ। এই দুটি যদি তাকে আপনি ফ্রিল্যান্সিং জগতে ভালোভাবে বিচরণ  করতে পারবেন। সাধারণত অনলাইনে কাজ করার জন্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপের প্রয়োজন হয়। কারণ যে ভারি কাজ গুলো আছে সেগুলো সম্পন্ন করতে অবশ্যই এই ডিভাইসের দরকার হয়। মোবাইলে কোন ভাবে কাজ করা সম্ভব নয় ভারি গুলা। আর তাছাড়া যদি ইন্টারনেট সংযোগ না থাকে তাহলে তো কোনভাবেই সম্ভব নয় অনলাইন জগতে পা রাখা।


ফ্রিল্যান্সিং কত প্রকার সেটা নিয়ে অনেকের মনে সন্দেহ থেকে থাকে। ফ্রিল্যান্সিং সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে আপনি নিজেই নিজের  কাজ করতে পারবেন অনলাইনের মাধ্যমে। আবার অন্যজনের কাজ করে দেওয়া যাবে অনলাইনের মাধ্যমে। তাহলে এই দুই ভাগে ভাগ করে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী নর-নারী নিয়োজিত রয়েছে এই পেশায়। তারা এক প্রকার রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত দেশের জন্য কারণ তারা ঘরে বসে বিদেশ থেকে টাকা নিয়ে আসছে ব্যাংকের মাধ্যমে। যারা বিদেশে কাজ করে তারা যেমন রেমিটেন্স দেশের জন্য নিয়ে আসে তেমনি ভাবে যারা ফ্রিল্যান্সিং করে তারাও ঘরে বসে রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে থাকে। 



ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি 



ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি সেটা অনেকেই জানেনা। সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে বেশি চাহিদা রয়েছে ওয়েব ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ইমেজ এডিটিং, ভিডিও এডিটিং এর চাহিদা বেশি পরিমাণে। এই গুলার মধ্যে থেকে কেউ যদি পারদর্শী হয়ে থাকেন তাহলে ফাইবার থেকে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমাণের একটি ইনকাম করা সম্ভব। বর্তমান বাজারের চাহিদা অনুযায়ী এই কাজগুলো সবার শীর্ষে রয়েছে, বিশেষ করে গ্রাফিক ডিজাইন মানুষের সব কাজে লাগে এবং ব্যবহার অনেক বেশি। তাছাড়া রয়েছে ভিডিও এডিটিং যা মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অনলাইন বিজনেস এ কাজে লেগে থাকে। আপনি যদি এই সমস্ত বিষয় নিয়ে অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন তাহলে এই কাজ করে মাসে ৫০০ ডলার থেকে বেশি ইনকাম করতে পারবেন।


এখন আসতেছে web-development সাধারণত বেশি কঠিন হওয়ার কারণে মানুষ শিখতে পারে না। এটি বাজারে চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম হলেও এখান থেকে ভালো পরিমাণে ইনকাম করা যায়। একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে পারলে বায়ার থেকে আপনি   ১০০০ থেকে ১৫০০ ডলার নিতে পারবেন। তাছাড়া আপনি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির আন্ডারে মাসিক বেতন হিসেবে কাজ করতে পারেন ওয়েব ডেভলপার হিসেবে। বাজারে এই কাজের চাহিদা বেশি এবং কম  দুটি বললে চলে। তবে এ থেকে যা ইনকাম করা যায় তা অন্য সেক্টর থেকে ইনকাম করা কখনও সম্ভব নয়। ফিল্যান্সার ওয়েবসাইট ফাইবার ইত্যাদির মধ্যে আপনি গিক তৈরি করে উপরে উল্লেখিত সকল কাজের অর্ডার আপনি নিতে পারবেন। 




Post a Comment

Previous Post Next Post